ইরানের অনুমতি পেলেও ৬ জাহাজের ৫টির চালান বাতিল, বিপাকে জ্বালানি আমদানি
আন্তজাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:২১
হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ চলাচলের জন্য ইরানের ছাড়পত্র পাওয়া বাংলাদেশি ছয়টি জ্বালানিবাহী জাহাজের মধ্যে পাঁচটির চালানই শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে গেছে। এতে দেশের জ্বালানি আমদানি পরিকল্পনায় নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তেহরানে পাঠানো জাহাজের তালিকাটি হালনাগাদ না হয়ে পুরোনো পরিকল্পনার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল। এতে কাতারভিত্তিক জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি এবং ওমানের ওকিউ ট্রেডিংয়ের ঘোষিত ‘ফোর্স মেজর’ পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
ইরান-সংকট শুরুর পর মার্চের শুরুতেই এই দুই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তাদের এলএনজি সরবরাহ স্থগিত করে। ফলে এপ্রিল মাসে যেসব পাঁচটি এলএনজি কার্গো আসার কথা ছিল—তার চারটি কাতারএনার্জির এবং একটি এক্সিলারেট এনার্জির—সবগুলোই কার্যত বাতিল হয়ে যায়।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আরফানুল হক জানিয়েছেন, সরবরাহকারীদের স্থগিতাদেশ অন্তত ৮ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ফলে তালিকাভুক্ত জাহাজগুলোর চালান এখন আর কার্যকর নেই।
তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর যেসব চালান বাতিল হয়ে গেছে, সেগুলোর জাহাজের তালিকা কীভাবে ইরানে পাঠানো হলো, তা স্পষ্ট নয়। ‘ফোর্স মেজর’-এর কারণে এপ্রিল মাসে কাতারএনার্জির কোনো এলএনজি সরবরাহই নেই বলেও জানান তিনি।
জ্বালানি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, ফোর্স মেজর পরিস্থিতি কতদিন চলবে তা অনিশ্চিত থাকায় ভুলবশত যুদ্ধ-পূর্ব আমদানির পরিকল্পনা অনুযায়ী তথ্য পাঠানো হয়েছিল।
এদিকে জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কিছু জাহাজ এখনও ফোর্স মেজরের আওতায় থাকলেও অপরিশোধিত তেলবাহী একটি জাহাজ এর বাইরে রয়েছে। এলএনজি সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।