ব্রয়লারের চেয়ে মাছের দাম বেশি, গরুর মাংস ৮০০ টাকায় স্থির
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:২৮
পবিত্র মাহে রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও গরুর মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। তবে মাছের বাজারে দামের চাপ এখনো বেশি। দুই শত টাকার নিচে কোনো মাছ মিলছে না।
অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগি কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়। গরুর মাংসের দাম স্থির রয়েছে ৮০০ টাকা কেজিতে। যদিও রমজানের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানমন্ডি ও রায়েরবাজার এলাকায় ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি যেখানে ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা কেজি ছিল, সেখানে এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়। একইভাবে সোনালি জাতের মুরগির দামও কমেছে। বর্তমানে কেজি প্রতি ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩২০ টাকা। তবে গরুর মাংস আগের মতোই ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ টাকা, বেলে ২৫০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, কই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকার ও জাতভেদে চিংড়ির দাম সবচেয়ে বেশি।
মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারে কেনাকাটা করতে আসা এক ক্রেতা বলেন, আগে পাঙ্গাস ও তেলাপিয়ার দাম তুলনামূলক কম ছিল। এখন সেগুলোর দামও বেড়েছে। রুই, কাতলা বা টেংরা কিনতে গেলে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকার বাজেট লাগছে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এত দামে মাছ কেনা কষ্টসাধ্য।
বাজার ঘুরে আরও দেখা গেছে, গরু ও মুরগির তুলনায় মাছের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। অনেকেই দাম জেনে ফিরে যাচ্ছেন। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কম থাকায় সেদিকে আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
এনএফ৭১/একে
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।