বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

বাড়িতে অভিযান, ওসি প্রত্যাহার চান জামায়াত প্রার্থী

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২০

সংগৃহীত

ফেনী-৩ আসনের দাগনভূঁইয়া উপজেলায় পুলিশের একটি অভিযানের ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট এক এসআইকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিক। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দাগনভূঁইয়া পৌরসভা এলাকার পাকিস্তান বাজারের আমানউল্লাহপুর ধানসিঁড়ি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা বিরাজ করে।

পরে সোনাগাজী-দাগনভূঁইয়া সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সৈয়দ মুমিদ রায়হান ঘটনাস্থলে গিয়ে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাগনভূঁইয়া আতাতুর্ক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিমের বাড়িতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হঠাৎ তল্লাশি চালায় পুলিশের একটি দল। তবে অভিযানে কোনো কিছু পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে—কেন একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে এভাবে অভিযান চালানো হলো।

ফেনী-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, “একজন অবসরপ্রাপ্ত সম্মানিত শিক্ষকের বাসায় বিনা নোটিশে হঠাৎ অভিযান চালানো অবশ্যই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর মাধ্যমে ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। দাগনভূঁইয়া উপজেলা বিএনপি (বহিষ্কৃত) নেতা ফটিক ও পলাশকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ কীভাবে একজন শিক্ষকের বাসায় অভিযান চালাতে পারে? আমরা এ ঘটনায় দাগনভূঁইয়া থানার এসআই বলরাম ও ওসি আজিমের প্রত্যাহার দাবি করছি।”

এ বিষয়ে ফেনীর সিনিয়র এএসপি সৈয়দ মুমিদ রায়হান বলেন, “বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। তল্লাশির পর প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি। এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি।”

তিনি আরও জানান, নির্বাচনের দায়িত্ব পালনের জন্য আপাতত চাঁদপুর থেকে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) দায়িত্ব পালন করবেন।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top