শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২

পাকিস্তানের সামনে আজ নিউজিল্যান্ড—দুই ‘কালো ঘোড়ার’ লড়াই

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৬

ছবি: সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আজ সুপার এইট পর্ব শুরু করছে পাকিস্তান। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম–এ অনুষ্ঠিত ম্যাচটি দিয়ে শুরু হচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ধাপ।

গ্রুপ পর্বের সব আলো প্রায় একাই কেড়ে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। অস্ট্রেলিয়ার বিদায় এবং ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে জিম্বাবুয়ের সুপার এইটে ওঠা—এটাই এবারের আসরের সবচেয়ে বড় চমক।

এই আলোচনার মধ্যেই শুরু হচ্ছে সুপার এইটের লড়াই। ফেবারিটের তালিকায় শুরুর দিকে না থাকলেও পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড—দুই দলই নিজেদের ভাবতে পারে ‘কালো ঘোড়া’। টি–টোয়েন্টির অনিশ্চয়তায় যেকোনো সময় যেকোনো দলকে চমকে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে দু’পক্ষই।

প্রথম রাউন্ডে চার ম্যাচের মধ্যে নিউজিল্যান্ড হেরেছিল কেবল দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। বাকি তিন ম্যাচে তারা জিতেছে যথাক্রমে ৫, ১০ ও ৮ উইকেটে।

অন্যদিকে পাকিস্তান নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে জয় পেলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারে। তবে শেষ ম্যাচে নামিবিয়াকে ১০২ রানে উড়িয়ে দিয়ে ব্যাটে–বলে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দেয় তারা।

প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের মন্থর উইকেট স্পিনারদের সহায়ক—এটা জানা কথাই। সে দিক থেকে ছন্দে থাকা স্পিন আক্রমণ নিয়ে পাকিস্তান কিছুটা এগিয়ে। নামিবিয়ার বিপক্ষে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেওয়া শাদাব খানের ভাষায়,

‘সুপার এইটের সব ম্যাচই খুব চাপের। তবে আমরা সঠিক পথেই আছি।’

নিউজিল্যান্ডের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে এই উইকেটে মানিয়ে নেওয়া। কারণ প্রথম রাউন্ডের সব ম্যাচ তারা খেলেছে ভারতের চেন্নাই ও আহমেদাবাদে—যা তুলনামূলক ব্যাটিংবান্ধব।

নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান মার্ক চাপম্যান মনে করেন, পাকিস্তানের স্পিন সামলানোর প্রস্তুতি তাঁদের ভালোই আছে। কলম্বোয় সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,

‘আমরা আত্মবিশ্বাসী। কন্ডিশন যাই হোক, মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা আমাদের আছে।’

তবে পাকিস্তানের অপ্রথাগত অ্যাকশনের স্পিনার উসমান তারিক নিয়ে তিনি ছিলেন সতর্ক—

‘তার অ্যাকশন একদম আলাদা। বিশেষ করে ডেলিভারির আগে যেভাবে থেমে যায়, সেটা মাথায় রাখতে হবে।’

নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার অসুস্থতা কাটিয়ে ফিরতে পারেন আজই। শেষ মুহূর্তে সমস্যা না হলে তাঁর খেলার সম্ভাবনাই বেশি। পেসার লকি ফার্গুসন শ্রীলঙ্কায় ফিরলেও একাদশে থাকবেন কি না—তা এখনো নিশ্চিত নয়।

পাকিস্তান দলে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন **শাহিন শাহ আফ্রিদি**কে ঘিরে। নামিবিয়ার বিপক্ষে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। ছন্দহীন এই পেসার ৩ ম্যাচে ১০১ রান দিয়ে নিয়েছেন মাত্র ৩ উইকেট। স্পিন–সহায়ক উইকেটে আজ তাঁকে একাদশের বাইরে রাখাই স্বাভাবিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top